আবাসনে বসুন্ধরার বিপ্লব

চার দশক আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, ঢাকার ওপর মানুষের চাপ বাড়বে। মানুষের চাপ বাড়লেই আবাসন সংকট তৈরি হবে। এই দূরদৃষ্টিই এগিয়ে দিয়েছিল সেই সময়ের তরুণ উদ্যোক্তা আহমেদ আকবর সোবহানকে। দেশের মানুষের চাহিদা পূরণে ১৯৮৭ সালে তাই শুরু করেন আবাসন ব্যবসা। অবহেলিত জনপদে দেশের সর্ববৃহৎ ও অভিজাত আবাসন এলাকা গড়ে তুলে তিনি কৃষকদের কোটিপতি বানিয়েছেন। প্রগতি সরণি থেকে শুরু করে পূর্বদিকে বালু নদী পর্যন্ত পতিত জমিই হয়ে ওঠে সোনা। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড দিয়ে শুরু করে তিনি আবাসন খাতেই গড়ে তোলেন আমদানি বিকল্প শিল্প। একে একে ৬০টির বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু করে বসুন্ধরাকে প্রতিষ্ঠা করেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপ হিসেবে। তাঁর সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আবাসন ব্যবসায় এলেন আরো অনেকে। গুণগত, মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী উৎপাদন ও সংযোগ শিল্পের বিকাশে এই খাতে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে দেশের আবাসন খাতকে শিল্পে রূপান্তরের নিপুণ কারিগর তিনি। আহমেদ আকবর সোবহানের হাত ধরে নতুন এক আবাসন বিপ্লবের সূচনা হয়। 

আহমেদ আকবর সোবহানের জন্ম ১৯৫২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার ইসলামপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তাঁর বাবা আবদুস সোবহান ছিলেন আইনজীবী এবং মা উম্মে কুলসুম ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে আহমেদ আকবর সোবহান সবার ছোট।

১৯৭৮ সালে আহমেদ আকবর সোবহান অভ্যন্তরীণ সেবা খাতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যাবসায়িক যাত্রা শুরু করেন। বসুন্ধরা গ্রুপের পথচলা শুরু হয় ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। গুণগত মান এবং সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি হয়ে উঠেছে ভোক্তাদের আস্থার অন্য নাম। এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম ছিল না কখনোই। কিন্তু আহমেদ আকবর সোবহান কখনো নিজ নীতি থেকে বিচ্যুত হননি। অটল থেকেছেন নিজের লক্ষ্যে। সততা, নিষ্ঠা, ধৈর্য ও নিরলস প্রচেষ্টায় নিজ হাতে তিনি বসুন্ধরা গ্রুপকে নিয়ে এসেছেন আজকের এই বিশাল ব্যাপ্তি ও বিরাট অবস্থানে। ইস্পাত ও প্রকৌশল, কাগজ, টিস্যু, সিমেন্ট, এলপি গ্যাস, স্যানিটারি ন্যাপকিন, কাগজজাত পণ্য, ড্রেজিং, জাহাজশিল্প, খাদ্য ও পানীয়, বিটুমিন, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, আইসিটি, যোগাযোগ ও পরিবহন, গৃহায়ণ ও নির্মাণ, প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং, ক্রীড়া, বিনোদন, হাসপাতাল, ফাউন্ডেশনসহ ৬০টির বেশি নানা মাত্রার বৃহৎ শিল্প খাতে নিজেদের ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। সারা দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করে প্রতিষ্ঠানটি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। আহমেদ আকবর সোবহানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও বিচক্ষণ তদারকিতে বসুন্ধরা গ্রুপ অবকাঠামোগতভাবে অর্জন করেছে যথেষ্ট দক্ষতা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতার সঙ্গে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যোগ্যতা লাভ করেছে। বসুন্ধরা গ্রুপের শিল্প উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নানা পণ্যে আমদানিনির্ভরতা কমেছে। অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছে এই গ্রুপ।

বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু ব্যাবসায়িক খাতই নয়, তৈরি করেছে বিরাট কর্মক্ষেত্রও। এই গ্রুপের নানা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কর্মরত আছেন ৬০ হাজার কর্মী। এ ছাড়া নানাভাবে বসুন্ধরা গ্রুপে কাজ করছেন পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। রাজস্ব খাতে বিরাট অবদানের মাধ্যমে দেশীয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও দারুণ অবদান রাখছে বসুন্ধরা। বহু বছর ধরেই দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজস্বদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম ধরে রেখেছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

ঢাকায় নিজের একটি বাড়ি গড়ার স্বপ্ন দেখায় বসুন্ধরা। তখন প্লট কিনে বাড়ি করার ধারণাটি ছিল নতুন। কথাটা তখন তেমন কেউ বিশ্বাস করতেন না। ধারণা নতুন হলেও আহমেদ আকবর সোবহানের বিশ্বাস ছিল, যদি আস্থা অর্জন করা যায়, তাহলে মানুষ বসুন্ধরার জমি লুফে নেবে। হয়েছেও তাই। বারিধারা কূটনৈতিক জোনের খুব কাছেই এ, বি, সি ও ডি—এই চারটি ব্লক নিয়ে বসুন্ধরা যাত্রা শুরু করে ১৫ হাজার একর জমিতে বিস্তৃত হয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। নিজের একটি বাড়ি হবে এমন স্বপ্ন যাঁরা দেখতেন, তাঁরা তাঁদের সাধ্যের মধ্যে বসুন্ধরায় প্লট কেনা শুরু করলেন। দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি সুবিধা ও সময়মতো প্লট বুঝিয়ে দিয়ে পরিকল্পিত আবাসন নির্মাণে বিশ্বস্ততা অর্জন করে বসুন্ধরা গ্রুপ। সেই বিশ্বাসেই বসুন্ধরা গ্রুপ এত দূর এসেছে বলে জানালেন বিশিষ্ট এই শিল্পপতি। তিনি বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ এই এলাকার লক্ষাধিক কৃষককে কোটি টাকার মালিক বানিয়েছে। এই এলাকায় যাঁদের সামান্য জমি ছিল তাঁরা আজ বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়েছেন। একইভাবে বসুন্ধরা গ্রুপ অন্য প্রকল্পগুলোর মাধ্যমেও মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। বসুন্ধরা এখন পরিকল্পিত ও আধুনিক সুবিধাসংবলিত মনোমুগ্ধকর আবাসিক এলাকা। এখানে সুধীজনের বসবাস। আজকে বসুন্ধরা শুধু বাংলাদেশই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ একটি আবাসিক এলাকা।’

বেশির ভাগ আবাসন কম্পানি সাধারণত প্লট বিক্রি করেই দায়িত্ব শেষ করে। তাদের বেশি কোনো পরিকল্পনা থাকে না। বসুন্ধরা গ্রুপ শুরু থেকেই এ ক্ষেত্রে ভিন্ন। সবুজ বনায়নে জোর দিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা হয়ে ওঠে কোলাহলমুক্ত শান্তিপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় আছে দেশের ব্যস্ততম করপোরেট প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক, কনভেনশন সেন্টার, সুপারশপ, রেস্টুরেন্ট, জিম, বাণিজ্যিক স্থাপনা, খেলার মাঠ ইত্যাদি। শুধু তাই নয়, একমাত্র বসুন্ধরায়ই আছে দেশের আন্তর্জাতিক মানের চারটি বিশাল কনভেনশন সিটি। ১৯৯৮ সালে যখন আবাসন ব্যবসা তুঙ্গে তখন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রথম ১৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন দেশের সর্ববৃহৎ বসুন্ধরা শপিং মল।

সুবিশাল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা শতভাগ নিরাপদ। নিজস্ব প্রায় দুই হাজার নিরাপত্তাকর্মী সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য রয়েছে সিসিটিভি ও সিকিউরিটি হেল্প লাইন, নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ আরো অনেক কিছু।

বসুন্ধরার বারিধারা প্রকল্পের সাফল্যের পরপরই দেশের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেন আহমেদ আকবর সোবহান। পুরান ঢাকার মানুষকে আবাসন সুবিধা প্রদানের জন্য কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে রিভারভিউ নামের প্রকল্প, গাজীপুরের মৌচাক ও স্কাউট জাম্বুরির কাছে আছে মৌচাক হাউজিং প্রকল্প। ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের পাশে আছে রিভারভিউ গ্রিন টাউন ও বসুন্ধরা দক্ষিণ প্রকল্প। আগামীর ঢাকা অর্থাৎ ঢাকার সবচেয়ে বেশি সম্প্রসারিত জোন পূর্বাঞ্চলে ছোট-বড় বেশ কয়েকটি আবাসন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এতে রাজধানী ঢাকার আবাসন সমস্যা দ্রুতই লাঘব হবে বলে আশা করছেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান।

বাংলাদেশে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার ধারণা প্রথম আসে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের মাধ্যমে। জহিরুল ইসলামের এই উদ্যোগের পর সত্তরের দশকে এই খাতে পাঁচটির মতো কম্পানি যুক্ত হয়। বসুন্ধরার মাধ্যমে এই শিল্পের ব্যাপক বিকাশের পর তাদের অনুসরণ করে এগিয়ে আসে আরো অনেক গ্রুপ।

আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু নিজের নয়, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা প্রথম সিমেন্ট কম্পানি করেছিলাম, এর পরে ৯৭টি কম্পানি হয়েছে। মানুষের আস্থা বসুন্ধরা সিমেন্ট এবং বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি অবিচল রয়েছে। দেশের সব বড় অবকাঠামোয় বসুন্ধরা গ্রুপের সিমেন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে। মানের বিষয়ে আমরা কখনো আপস করিনি, শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছি। এভাবে অনেক ব্যবসাতেই বসুন্ধরা প্রথম পা রেখেছে, এরপর বসুন্ধরার সাফল্যে অন্যরাও সেই ব্যবসায় এসেছে।’

আহমেদ আকবর সোবহান আরো বলেন, ‘আমাদের এই সফলতার পেছনে ব্যাংকারদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমার প্রতি ব্যাংকারদের যে আস্থা, আশা করি ভবিষ্যতেও তা থাকবে। ব্যাংকারদের ভালো ব্যবসায়ীদের খুঁজে ঋণ দিতে হবে। বসুন্ধরা গ্রুপ কখনো ব্যাংকে ডিফল্টার হয়নি।’

নিজের সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করে এই উদ্যোক্তা বলেন, “আমার বিষয়ে বলা হয়, আমি সব ব্যবসাতেই সফল হই। এর মূল কৃতিত্ব বসুন্ধরা গ্রুপের সব কর্মীর। তাঁরা সবাই প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের মনে করে কাজ করেন। সবাই মনে করেন যে প্রতিষ্ঠান ‘আমাদের’। আমাদের সব সফলতার মূল এই কর্মী বাহিনী।”

নিজেও একজন ক্রীড়া অনুরাগী বসুন্ধরা গ্রুপের অধিকর্তা। আহমেদ আকবর সোবহান নিজে একসময় হকি খেলতেন এবং তাঁর বড় ভাই আবদুস সাদেক একজন হকি কিংবদন্তি। শুধু হকি নয়; ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে অনেক খেলাকেই দীর্ঘদিন ধরে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে দেশের অন্যতম এই বৃহৎ ব্যবসায়ী গ্রুপ। ফুটবলে আছে নিজেদের দল বসুন্ধরা কিংস। এই গ্রুপ আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র এবং শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে। ক্রিকেটে তারা বিপিএলের দল রংপুর রাইডার্সের মালিক। এর বাইরে গলফ, কাবাডি, হকিসহ বিভিন্ন খেলায় নিয়মিতই পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার তারা সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গড়ে তুলছে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স।

আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, “আমরা একটা স্পোর্টস কমপ্লেক্স করছি। একটা ক্রিকেট একাডেমি করব, এর নাম দেব শেখ রাসেল ক্রিকেট একাডেমি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটা কথা প্রায়ই বলেন, ‘দেশের প্রতিটা শিশুকে দেখলে শেখ রাসেলের স্মৃতি ভেসে ওঠে।’ এই যে একটা অন্তর্দহন, এটা শুধু তিনিই বোঝেন। এটা আর কেউ বুঝবে না।”

বসুন্ধরা গ্রুপের বিশাল ব্যাবসায়িক সাম্রাজ্যের হাল ধরেছে নতুন প্রজন্ম। পুরো ব্যবসাকে বিভিন্ন সেক্টরে বিন্যস্ত করে ভবিষ্যৎ রূপরেখাও দিয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর মূল্যবান দিকনির্দেশনায় তাঁর সুযোগ্য চার সন্তান সাদাত সোবহান, সাফিয়াত সোবহান, সায়েম সোবহান আনভীর ও সাফওয়ান সোবহান বসুন্ধরা গ্রুপকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সায়েম সোবহান আনভীর পালন করছেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব। সাদাত সোবহান কো-চেয়ারম্যান, সাফিয়াত সোবহান এবং সাফওয়ান সোবহান ভাইস চেয়ারম্যান।

শুধু ব্যাবসায়িক অঙ্গনেই নয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামাজিক দায়িত্ব পালনেও দৃষ্টান্ত রেখেছেন আহমেদ আকবর সোবহান। সাফল্যের শীর্ষে অবস্থান করেও ভুলে যাননি দেশীয় সংস্কৃতি ও মানবতার কল্যাণে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ। দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের কথাও মনে রেখেছেন সব সময়। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন নিত্যদিন। বসুন্ধরা গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত দুটি মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষের জীবনচলার পথ সুগম করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্ত। এ ছাড়া নানা সময়ে বিপদগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বহু নজির রেখেছেন আহমেদ আকবর সোবহান।

বসুন্ধরা গ্রুপ গড়ে তুলেছে দেশের সর্ববৃহৎ মিডিয়া গ্রুপ। ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপে আছে কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি সান, বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোরডটকম, নিউজ ২৪, রেডিও ক্যাপিটাল এবং টি স্পোর্টস। বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছে উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার স্বপ্ন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিয়েই আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া শুরু করেছি। আমাদের মিডিয়া হাউস আজ শুধু বাংলাদেশেই নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম।’

যদিও এখন বহুক্ষেত্রে বিস্তৃত বসুন্ধরার সীমানা, কিন্তু সব কিছুর শুরু আবাসন দিয়েই। সেখানে বিপ্লব ঘটিয়ে বসুন্ধরা যেমন দেশের মানুষকে দিয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ের ঠিকানা, তেমনি বিপুল কর্মসংস্থানে সমৃদ্ধ করেছে দেশের অর্থনীতি। আবাসনে বসুন্ধরার এই বিপ্লব তাই পুরো দেশের জন্যই এক আশীর্বাদ।

source:  কালের কণ্ঠ