Bashundhara Group to provide support for Army’s Jolshiri Project

Bashundhara Group, a leading industrial conglomerate in the country, will provide its overall support for the development work of Bangladesh Army’s Jolshiri Abashon Project in the capital.

To this effect, an agreement was signed at the Army Headquarters in Dhaka Cantonment on Monday.

Jolshiri Abashon Project Chairman Maj Gen Md Abu Sayed Siddique and Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan signed the agreement on behalf of their respective sides in the presence of Army Chief General Aziz Ahmed.
Bashundhara Group has already provided 2,600 bighas of land, considering the priority of Prime Minister Sheikh Hasina to make this project a success.

It was said at the function that Bashundhara Group will assist in the expansion and development of Jolshiri Abashon Project.

Bashundhara Group and Jolshiri will jointly set up a large mosque in the project area and will also work for beautification of the project.

Addressing the signing ceremony, Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan said: “We are happy to provide support on behalf of Bashundhara Group for the expansion and development of Bangladesh Army’s Jolshiri Abashon Project.”

“I hope that implementation of this project will be completed within the stipulated time in collaboration with both the parties,” he added.

Speaking on the occasion, Army Chief General Aziz Ahmed said the Army and Bashundhara Group will cooperate in the implementation of the projects.
He has commended Bashundhara Group for its overall support for the implementation of this project and especially thanked Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan.

Quarter Master General of Bangladesh Army Lieutenant General Md Shamsul Haque, Bashundhara Group Managing Director Sayem Sobhan Anvir, Bashundhara Group Vice-Chairman Safwan Sobhan Tasvir, Bashundhara Group Senior Executive Director Liakat Hossain, Rongdhanu Group Chairman Rafiqul Islam Rafiq and senior officials from both sides were present at the function.

Bashundhara Group chairman condoles death of Sahara Khatun

Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan has expressed profound shock at the death of Awami League (AL) Presidium Member and former Home Minister Advocate Sahara Khatun MP, who passed away at Bumrungrad International Hospital in Bangkok, Thailand on Thursday night.

In a condolence message, Ahmed Akbar Sobhan said the country lost an honest and sincere politician. Her death is an irreparable loss to the country’s political arena. People will remember her contributions with due respect for long.

“I express my deep sympathy to the members of the bereaved family and pray to the Almighty Allah to give them strength to bear this irreparable loss and for the salvation of the departed soul,” he added.
Sahara Khatun passed away at 11:25pm (local time) at Bumrungrad International Hospital in Bangkok.

Earlier on Monday, Advocate Sahara Khatun was flown to Thailand for better treatment.

The lawmaker of Dhaka-18 constituency was released from Dhaka’s United Hospital around 11:20 in the morning on the same day.

On June 2, she had been admitted to United Hospital in the capital’s Gulshan area with allergy, fever and cold-related complications. Later she was shifted to the ICU on June 19 as her condition deteriorated.

Advocate Sahara Khatun was elected as lawmaker three times from Dhaka-18 constituency.

Bashundhara Group Chairman mourns Abdul Monem Group’s founder death

Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan expressed his profound shock at the sad demise of Abdul Monem Group’s founder Abdul Monem Khan.

In a condolence message, he also prayed for salvation of the departed soul and expressed deep sympathy to the bereaved members of his family.
Abdul Monem breathed his last while undergoing treatment at at Combined Military Hospital (CMH) in Dhaka on Sunday noon.

A veteran civil engineer by profession Abdul Monem masterminded the AML Business, its expansion and growth horizontal integration and diversification.

For his achievement in this respect, he was awarded ‘Commercially Important Person (CIP)’ status by the Government of Bangladesh several times.

নৌবাহিনীকে মাস্ক, পিপিই ও খাদ্যসামগ্রী দিলো বসুন্ধরা গ্রুপ

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রথম থেকেই দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এর অংশ হিসেবে রোববার (৫ এপ্রিল) নৌবাহিনীকে পিপিই, মাস্ক ও খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেছে দেশের এ শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী।

রোববার সকাল ১১টার দিকে নৌবাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরীর কাছে ৫০ হাজার মাস্ক, ৫০০ পিপিই ও দুই ট্রাক (৭০০ প্যাকেট) খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর ও গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান তাসভীর।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরকে এক হাজার পিপিই ও ৫০ হাজার মাস্ক দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। এছাড়া, গতকাল শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্র্যাফিক (উত্তর) বিভাগকে ২৫ হাজার মাস্ক দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে, গত ২৯ মার্চ বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর প্রধানমন্ত্রীর করোনা মোকাবেলার তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন। বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে রাজধানীর দুঃস্থ ও নিম্ন আয়ের অনেক পরিবারকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে, করোনাভাইরাসের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারকে সহায়তার অংশ হিসেবে পাঁচ হাজার শয্যার হাসপাতাল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এতে রাজধানীর কুড়িলে বসুন্ধরার চারটি কনভেনশন সিটি ও একটি ট্রেড সেন্টারকে হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে।

Bashundhara Group provides 50,000 masks, 500 PPE, foods to Bangladesh Navy

Bashundhara Group, leading business conglomerate of the country, on Sunday provided safety equipment and food to Bangladesh Navy as a part of their contributions to the Government’s ongoing battle on corona situation.

Bashundhara Group Managing Director Sayem Sobhan Anvir and Vice Chairman Safwan Sobhan Tasvir jointly handed over the medical supplies and food to Chief of Naval Staff Admiral Aurangzeb Chowdhury at Naval Headquarters in the capital on Sunday morning.

The medical supplies include 50,000 masks, 500 Personal Protective Equipment (PPE) and seven hundred packets of food.
Earlier on Saturday, Bashundhara provided 25,000 facial masks to Dhaka Metropolitan Police for safety of its members, who are playing frontline role to combat novel corona virus outbreak.

On Wednesday, the group handed over 1,000 PPE and 50,000 masks to the Directorate General of Medical Service (DGMS).

Bashundhara Group also donated Tk 100 million to the Prime Minister’s Relief Fund. Besides, the business conglomerate is going to establish a 5,000-bed hospital for the treatment of corona infected patients in the country.

The Group is also distributing essential commodities everyday to the people, who are living from hand to mouth, in Dhaka.

নৌবাহিনীকে অর্ধলক্ষ মাস্ক, ৫ শ পিপিই ও ৭ শ প্যাকেট খাবার দিল বসুন্ধরা

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় নৌবাহিনীর কাছে সুরক্ষা সামগ্রী ও খাদ্যপণ্য হস্তান্তর করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

আজ সকালে রাজধানীর নৌবাহিনীর সদর দপ্তরে ৫০ হাজার পিস মাস্ক, ৫০০ পিস পিপিই এবং ৭০০ প্যাকেট খাদ্যপণ্য হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর ও গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান তাজভীর।

এসব পণ্য গ্রহণ করেন চিফ অব নেভাল স্টাফ অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী।

Bashundhara Group stands by the poor

Bashundhara Group, country’s leading business conglomerate, has continued to distribute food items among underprivileged people who have become workless following spread of coronavirus.

As part of corporate social responsibility, officials and volunteers of the group went door-to-door and distributed combo packets of food to 1,700 marginal families at different places in the capital on Tuesday. Collecting the food packets from Hall-1 of International Convention City Bashundhara (ICCB), officials and volunteers visited various targeted areas and distributed those among the vulnerable people.

A combo food pack contains 10 kilogrammes of minikate rice, two kilogrammes of lentil, half kilogramme of ginger, one litre of fresh soya bean oil, two kilogrammes of potato, two kilogrammes of onion and half kilogramme of garlic.
Among others, Bashundhara Group Senior Executive Detectors Imrul Hasan and Liakat Hossain, Executive Director Nazmul Alam Bhuiyan and ICCB Chief Executive MM Jasim Uddin were present during the distribution of food.

Officials went door-to-door and distributed the food items. They said the programme will be extended to other areas and will continue till the situation becomes normal.

Earlier on Sunday, Bashundhara Group distributed combo packets, includes daily essentials, to two thousand families in three areas of Beraid, Doomni and Solmaid in the capital.

চীনের চেয়েও বড় অস্থায়ী হাসপাতাল করবে বসুন্ধরা

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ রোগে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজনেরা চিকিৎসা পাচ্ছেন হাতে গোনা কয়েকটি হাসপাতালে। এমন অবস্থায় রোগটি মহামারি আকারে ছড়ালে কী হবে তা অকল্পনীয়। এমন প্রেক্ষাপটে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এগিয়ে এসেছে দুই শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ ও ফর্টিস গ্রুপ। প্রতিষ্ঠান দুটি করোনা রোগীদের চিকিৎসায় অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের জন্য বিনা মূল্যে অবকাঠামো সুবিধা দিতে চাইছে, সরকারের পক্ষ থেকে শুধু চিকিৎসা সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা করতে হবে।

দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বসুন্ধরা অবকাঠামো সুবিধা দেওয়ার জন্য তাদের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিকে চিহ্নিত করেছে। প্রায় ৬৪ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠা এই কনভেনশন সিটিকে অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করতে পারলে এখানে একসঙ্গে পাঁচ হাজার রোগীর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। অন্যদিকে ফর্টিস অবকাঠামো আপাতত ১০০ শয্যার রয়েছে, তবে সরকার চাইলে তারা এটি আরও কয়েকগুণ বাড়াতে পারবে।

বসুন্ধরার কনভেনশন সিটি ৩০০ ফুট সড়কের পাশে অবস্থিত। এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে, এখানে সুবিশাল চারটি হল ও একটি এক্সপো সেন্টার আছে। আছে রান্না, পানি, বিদ্যুৎ, জেনারেটরসহ অন্যান্য সুবিধাও। হল ও এক্সপো সেন্টারের মোট আয়তন প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার বর্গফুট। এই পুরো জায়গাটি করোনা চিকিৎসায় অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ছেড়ে দিতে চায় দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তাদের এই স্থাপনা হাসপাতাল হিসেবে রূপান্তরের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এটি অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করতে পারলে সরকারের বিপুল অর্থের সাশ্রয় হবে।

বসুন্ধরার আগ্রহের পর গত ৩০ ও ৩১ মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল কোরের সদস্যরা এই এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

সায়েম সোবহান বলেন, ‘আমাদের দিক থেকে আমরা অবকাঠামো নিয়ে প্রস্তুত আছি। মেডিকেল যন্ত্রপাতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সরবরাহ করা হলে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতাল চালু করা সম্ভব।’

এদিকে ফর্টিস গ্রুপের পক্ষ থেকে যে অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে সেটি ঢাকার বেড়াঈদে। গত বুধবার সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, করোনা রোগের চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী এই হাসপাতালের স্থাপনার মধ্যে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত তিন তলা একটি ভবন। কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই ভবনের প্রতিটি কক্ষেই আছে পৃথক শৌচাগার, বিছানা ও প্রয়োজনীয় আসবাব। এ ছাড়া ১৪টি তাঁবু টানিয়ে সেখানে চিকিৎসার জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাঁবুগুলোতেও থাকবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও মেডিকেল বেড। পাশাপাশি বড় পরিসরের একটি মাঠও রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেখানেও তাঁবু টানিয়ে দিতে চায় ফর্টিস গ্রুপ।

জানতে চাইলে ফর্টিস গ্রুপের উপ-মহাব্যবস্থাপক মঈনুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁবুগুলো ২০-৩০ বর্গফুট আয়তনের। ভবন ও তাঁবু মিলে আপাতত ১০০ জনের জন্য ‌’আইসোলেসন সেন্টার’ প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই অবকাঠামো ব্যবহারের জন্য সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানান মঈনুল হোসেন। তিনি বলেন, কোনো হাসপাতাল চাইলে করোনা চিকিৎসায় এটি তাদের এক্সটেনশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।

বসুন্ধরা ও ফর্টিস গ্রুপের বিনা মূল্যে দেওয়া অবকাঠামো দিতে চাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে গত বৃহস্পতিবার যোগাযোগ করা হয়েছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে বিষয়টি জানানো হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে কি-না, তিনি তা জানেন না।

শিল্প প্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপের পক্ষ থেকেও এমন একটি মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি তেজগাঁও শিল্প এলাকায় তাদের নিজস্ব জমিতে ও নিজ খরচে ৩০০ শয্যার একটি হাসপাতাল তৈরি করতে চেয়েছিল। যেখানে বিনা মূল্যে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করা যেত। চিকিৎসা সরঞ্জামাদিরও ব্যবস্থা করতে চেয়েছিল এই প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন তাতে বাধা দেয় ও হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জায়গায় ভাঙচুর করে। এতে উদ্যোগটি থমকে যায়।

গত বুধবার আকিজ গ্রুপের নির্ধারিত ওই জায়গায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে হাসপাতাল নির্মাণের কাজ হচ্ছে না। দায়িত্বরত নিরাপত্তা রক্ষীর কাছে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। হাসপাতাল নির্মাণের এই পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

যোগাযোগ করা হলে জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, অজ্ঞাত কারণে হাসপাতালটি আর হচ্ছে না। তা ছাড়া বসুন্ধরা ঢাকায় ৫ হাজার শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল করতে চাইছে। এমন অবস্থায় করানো চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আরও একটি হাসপাতাল নির্মাণের দরকার নেই।

গৃহবন্দি শ্রমজীবী মানুষের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে গৃহবন্দি শ্রমজীবী নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার করার পর থেকে বিপাকে পড়ে নিম্ন আয়ের মানুষ। দুর্ভোগ লাঘবে সরকারের পাশাপাশি এই কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ। গ্রুপের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের নির্দেশনায় কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের পরিবেশক ও বিক্রয় কর্মকর্তারা গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে দেশব্যাপী প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ও স্যানিটাইজার বিতরণ করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ও গতকাল নীলফামারীর সৈয়দপুরের বাবুপাড়ায় কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের পরিবেশক অব্দুল করিম শাহীন ও সুব্রত কুমার রুদ্ধ আড়াই শতাধিক মানুষের মাঝে স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন ত্রাণ বিতরণ করেন। এর আগে কর্মহীন হয়ে পড়া রাজমিস্ত্রি ও দিনমজুরদের মাঝে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও দিনাজপুরে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।