আবাসনে বসুন্ধরার বিপ্লব

চার দশক আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, ঢাকার ওপর মানুষের চাপ বাড়বে। মানুষের চাপ বাড়লেই আবাসন সংকট তৈরি হবে। এই দূরদৃষ্টিই এগিয়ে দিয়েছিল সেই সময়ের তরুণ উদ্যোক্তা আহমেদ আকবর সোবহানকে। দেশের মানুষের চাহিদা পূরণে ১৯৮৭ সালে তাই শুরু করেন আবাসন ব্যবসা। অবহেলিত জনপদে দেশের সর্ববৃহৎ ও অভিজাত আবাসন এলাকা গড়ে তুলে তিনি কৃষকদের কোটিপতি বানিয়েছেন। প্রগতি সরণি থেকে শুরু করে পূর্বদিকে বালু নদী পর্যন্ত পতিত জমিই হয়ে ওঠে সোনা। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড দিয়ে শুরু করে তিনি আবাসন খাতেই গড়ে তোলেন আমদানি বিকল্প শিল্প। একে একে ৬০টির বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু করে বসুন্ধরাকে প্রতিষ্ঠা করেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপ হিসেবে। তাঁর সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আবাসন ব্যবসায় এলেন আরো অনেকে। গুণগত, মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী উৎপাদন ও সংযোগ শিল্পের বিকাশে এই খাতে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে দেশের আবাসন খাতকে শিল্পে রূপান্তরের নিপুণ কারিগর তিনি। আহমেদ আকবর সোবহানের হাত ধরে নতুন এক আবাসন বিপ্লবের সূচনা হয়। 

আহমেদ আকবর সোবহানের জন্ম ১৯৫২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার ইসলামপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তাঁর বাবা আবদুস সোবহান ছিলেন আইনজীবী এবং মা উম্মে কুলসুম ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে আহমেদ আকবর সোবহান সবার ছোট।

১৯৭৮ সালে আহমেদ আকবর সোবহান অভ্যন্তরীণ সেবা খাতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যাবসায়িক যাত্রা শুরু করেন। বসুন্ধরা গ্রুপের পথচলা শুরু হয় ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। গুণগত মান এবং সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি হয়ে উঠেছে ভোক্তাদের আস্থার অন্য নাম। এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম ছিল না কখনোই। কিন্তু আহমেদ আকবর সোবহান কখনো নিজ নীতি থেকে বিচ্যুত হননি। অটল থেকেছেন নিজের লক্ষ্যে। সততা, নিষ্ঠা, ধৈর্য ও নিরলস প্রচেষ্টায় নিজ হাতে তিনি বসুন্ধরা গ্রুপকে নিয়ে এসেছেন আজকের এই বিশাল ব্যাপ্তি ও বিরাট অবস্থানে। ইস্পাত ও প্রকৌশল, কাগজ, টিস্যু, সিমেন্ট, এলপি গ্যাস, স্যানিটারি ন্যাপকিন, কাগজজাত পণ্য, ড্রেজিং, জাহাজশিল্প, খাদ্য ও পানীয়, বিটুমিন, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, আইসিটি, যোগাযোগ ও পরিবহন, গৃহায়ণ ও নির্মাণ, প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং, ক্রীড়া, বিনোদন, হাসপাতাল, ফাউন্ডেশনসহ ৬০টির বেশি নানা মাত্রার বৃহৎ শিল্প খাতে নিজেদের ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। সারা দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করে প্রতিষ্ঠানটি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। আহমেদ আকবর সোবহানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও বিচক্ষণ তদারকিতে বসুন্ধরা গ্রুপ অবকাঠামোগতভাবে অর্জন করেছে যথেষ্ট দক্ষতা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতার সঙ্গে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যোগ্যতা লাভ করেছে। বসুন্ধরা গ্রুপের শিল্প উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নানা পণ্যে আমদানিনির্ভরতা কমেছে। অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছে এই গ্রুপ।

বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু ব্যাবসায়িক খাতই নয়, তৈরি করেছে বিরাট কর্মক্ষেত্রও। এই গ্রুপের নানা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কর্মরত আছেন ৬০ হাজার কর্মী। এ ছাড়া নানাভাবে বসুন্ধরা গ্রুপে কাজ করছেন পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। রাজস্ব খাতে বিরাট অবদানের মাধ্যমে দেশীয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও দারুণ অবদান রাখছে বসুন্ধরা। বহু বছর ধরেই দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজস্বদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম ধরে রেখেছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

ঢাকায় নিজের একটি বাড়ি গড়ার স্বপ্ন দেখায় বসুন্ধরা। তখন প্লট কিনে বাড়ি করার ধারণাটি ছিল নতুন। কথাটা তখন তেমন কেউ বিশ্বাস করতেন না। ধারণা নতুন হলেও আহমেদ আকবর সোবহানের বিশ্বাস ছিল, যদি আস্থা অর্জন করা যায়, তাহলে মানুষ বসুন্ধরার জমি লুফে নেবে। হয়েছেও তাই। বারিধারা কূটনৈতিক জোনের খুব কাছেই এ, বি, সি ও ডি—এই চারটি ব্লক নিয়ে বসুন্ধরা যাত্রা শুরু করে ১৫ হাজার একর জমিতে বিস্তৃত হয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। নিজের একটি বাড়ি হবে এমন স্বপ্ন যাঁরা দেখতেন, তাঁরা তাঁদের সাধ্যের মধ্যে বসুন্ধরায় প্লট কেনা শুরু করলেন। দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি সুবিধা ও সময়মতো প্লট বুঝিয়ে দিয়ে পরিকল্পিত আবাসন নির্মাণে বিশ্বস্ততা অর্জন করে বসুন্ধরা গ্রুপ। সেই বিশ্বাসেই বসুন্ধরা গ্রুপ এত দূর এসেছে বলে জানালেন বিশিষ্ট এই শিল্পপতি। তিনি বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ এই এলাকার লক্ষাধিক কৃষককে কোটি টাকার মালিক বানিয়েছে। এই এলাকায় যাঁদের সামান্য জমি ছিল তাঁরা আজ বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়েছেন। একইভাবে বসুন্ধরা গ্রুপ অন্য প্রকল্পগুলোর মাধ্যমেও মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। বসুন্ধরা এখন পরিকল্পিত ও আধুনিক সুবিধাসংবলিত মনোমুগ্ধকর আবাসিক এলাকা। এখানে সুধীজনের বসবাস। আজকে বসুন্ধরা শুধু বাংলাদেশই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ একটি আবাসিক এলাকা।’

বেশির ভাগ আবাসন কম্পানি সাধারণত প্লট বিক্রি করেই দায়িত্ব শেষ করে। তাদের বেশি কোনো পরিকল্পনা থাকে না। বসুন্ধরা গ্রুপ শুরু থেকেই এ ক্ষেত্রে ভিন্ন। সবুজ বনায়নে জোর দিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা হয়ে ওঠে কোলাহলমুক্ত শান্তিপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় আছে দেশের ব্যস্ততম করপোরেট প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক, কনভেনশন সেন্টার, সুপারশপ, রেস্টুরেন্ট, জিম, বাণিজ্যিক স্থাপনা, খেলার মাঠ ইত্যাদি। শুধু তাই নয়, একমাত্র বসুন্ধরায়ই আছে দেশের আন্তর্জাতিক মানের চারটি বিশাল কনভেনশন সিটি। ১৯৯৮ সালে যখন আবাসন ব্যবসা তুঙ্গে তখন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রথম ১৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন দেশের সর্ববৃহৎ বসুন্ধরা শপিং মল।

সুবিশাল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা শতভাগ নিরাপদ। নিজস্ব প্রায় দুই হাজার নিরাপত্তাকর্মী সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য রয়েছে সিসিটিভি ও সিকিউরিটি হেল্প লাইন, নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ আরো অনেক কিছু।

বসুন্ধরার বারিধারা প্রকল্পের সাফল্যের পরপরই দেশের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেন আহমেদ আকবর সোবহান। পুরান ঢাকার মানুষকে আবাসন সুবিধা প্রদানের জন্য কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে রিভারভিউ নামের প্রকল্প, গাজীপুরের মৌচাক ও স্কাউট জাম্বুরির কাছে আছে মৌচাক হাউজিং প্রকল্প। ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের পাশে আছে রিভারভিউ গ্রিন টাউন ও বসুন্ধরা দক্ষিণ প্রকল্প। আগামীর ঢাকা অর্থাৎ ঢাকার সবচেয়ে বেশি সম্প্রসারিত জোন পূর্বাঞ্চলে ছোট-বড় বেশ কয়েকটি আবাসন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এতে রাজধানী ঢাকার আবাসন সমস্যা দ্রুতই লাঘব হবে বলে আশা করছেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান।

বাংলাদেশে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার ধারণা প্রথম আসে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের মাধ্যমে। জহিরুল ইসলামের এই উদ্যোগের পর সত্তরের দশকে এই খাতে পাঁচটির মতো কম্পানি যুক্ত হয়। বসুন্ধরার মাধ্যমে এই শিল্পের ব্যাপক বিকাশের পর তাদের অনুসরণ করে এগিয়ে আসে আরো অনেক গ্রুপ।

আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু নিজের নয়, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা প্রথম সিমেন্ট কম্পানি করেছিলাম, এর পরে ৯৭টি কম্পানি হয়েছে। মানুষের আস্থা বসুন্ধরা সিমেন্ট এবং বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি অবিচল রয়েছে। দেশের সব বড় অবকাঠামোয় বসুন্ধরা গ্রুপের সিমেন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে। মানের বিষয়ে আমরা কখনো আপস করিনি, শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছি। এভাবে অনেক ব্যবসাতেই বসুন্ধরা প্রথম পা রেখেছে, এরপর বসুন্ধরার সাফল্যে অন্যরাও সেই ব্যবসায় এসেছে।’

আহমেদ আকবর সোবহান আরো বলেন, ‘আমাদের এই সফলতার পেছনে ব্যাংকারদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমার প্রতি ব্যাংকারদের যে আস্থা, আশা করি ভবিষ্যতেও তা থাকবে। ব্যাংকারদের ভালো ব্যবসায়ীদের খুঁজে ঋণ দিতে হবে। বসুন্ধরা গ্রুপ কখনো ব্যাংকে ডিফল্টার হয়নি।’

নিজের সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করে এই উদ্যোক্তা বলেন, “আমার বিষয়ে বলা হয়, আমি সব ব্যবসাতেই সফল হই। এর মূল কৃতিত্ব বসুন্ধরা গ্রুপের সব কর্মীর। তাঁরা সবাই প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের মনে করে কাজ করেন। সবাই মনে করেন যে প্রতিষ্ঠান ‘আমাদের’। আমাদের সব সফলতার মূল এই কর্মী বাহিনী।”

নিজেও একজন ক্রীড়া অনুরাগী বসুন্ধরা গ্রুপের অধিকর্তা। আহমেদ আকবর সোবহান নিজে একসময় হকি খেলতেন এবং তাঁর বড় ভাই আবদুস সাদেক একজন হকি কিংবদন্তি। শুধু হকি নয়; ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে অনেক খেলাকেই দীর্ঘদিন ধরে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে দেশের অন্যতম এই বৃহৎ ব্যবসায়ী গ্রুপ। ফুটবলে আছে নিজেদের দল বসুন্ধরা কিংস। এই গ্রুপ আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র এবং শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে। ক্রিকেটে তারা বিপিএলের দল রংপুর রাইডার্সের মালিক। এর বাইরে গলফ, কাবাডি, হকিসহ বিভিন্ন খেলায় নিয়মিতই পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার তারা সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গড়ে তুলছে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স।

আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, “আমরা একটা স্পোর্টস কমপ্লেক্স করছি। একটা ক্রিকেট একাডেমি করব, এর নাম দেব শেখ রাসেল ক্রিকেট একাডেমি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটা কথা প্রায়ই বলেন, ‘দেশের প্রতিটা শিশুকে দেখলে শেখ রাসেলের স্মৃতি ভেসে ওঠে।’ এই যে একটা অন্তর্দহন, এটা শুধু তিনিই বোঝেন। এটা আর কেউ বুঝবে না।”

বসুন্ধরা গ্রুপের বিশাল ব্যাবসায়িক সাম্রাজ্যের হাল ধরেছে নতুন প্রজন্ম। পুরো ব্যবসাকে বিভিন্ন সেক্টরে বিন্যস্ত করে ভবিষ্যৎ রূপরেখাও দিয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর মূল্যবান দিকনির্দেশনায় তাঁর সুযোগ্য চার সন্তান সাদাত সোবহান, সাফিয়াত সোবহান, সায়েম সোবহান আনভীর ও সাফওয়ান সোবহান বসুন্ধরা গ্রুপকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সায়েম সোবহান আনভীর পালন করছেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব। সাদাত সোবহান কো-চেয়ারম্যান, সাফিয়াত সোবহান এবং সাফওয়ান সোবহান ভাইস চেয়ারম্যান।

শুধু ব্যাবসায়িক অঙ্গনেই নয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামাজিক দায়িত্ব পালনেও দৃষ্টান্ত রেখেছেন আহমেদ আকবর সোবহান। সাফল্যের শীর্ষে অবস্থান করেও ভুলে যাননি দেশীয় সংস্কৃতি ও মানবতার কল্যাণে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ। দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের কথাও মনে রেখেছেন সব সময়। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন নিত্যদিন। বসুন্ধরা গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত দুটি মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষের জীবনচলার পথ সুগম করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্ত। এ ছাড়া নানা সময়ে বিপদগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বহু নজির রেখেছেন আহমেদ আকবর সোবহান।

বসুন্ধরা গ্রুপ গড়ে তুলেছে দেশের সর্ববৃহৎ মিডিয়া গ্রুপ। ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপে আছে কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি সান, বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোরডটকম, নিউজ ২৪, রেডিও ক্যাপিটাল এবং টি স্পোর্টস। বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছে উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার স্বপ্ন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিয়েই আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া শুরু করেছি। আমাদের মিডিয়া হাউস আজ শুধু বাংলাদেশেই নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম।’

যদিও এখন বহুক্ষেত্রে বিস্তৃত বসুন্ধরার সীমানা, কিন্তু সব কিছুর শুরু আবাসন দিয়েই। সেখানে বিপ্লব ঘটিয়ে বসুন্ধরা যেমন দেশের মানুষকে দিয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ের ঠিকানা, তেমনি বিপুল কর্মসংস্থানে সমৃদ্ধ করেছে দেশের অর্থনীতি। আবাসনে বসুন্ধরার এই বিপ্লব তাই পুরো দেশের জন্যই এক আশীর্বাদ।

source:  কালের কণ্ঠ

Bashundhara Group chairman condoles death of Sahara Khatun

Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan has expressed profound shock at the death of Awami League (AL) Presidium Member and former Home Minister Advocate Sahara Khatun MP, who passed away at Bumrungrad International Hospital in Bangkok, Thailand on Thursday night.

In a condolence message, Ahmed Akbar Sobhan said the country lost an honest and sincere politician. Her death is an irreparable loss to the country’s political arena. People will remember her contributions with due respect for long.

“I express my deep sympathy to the members of the bereaved family and pray to the Almighty Allah to give them strength to bear this irreparable loss and for the salvation of the departed soul,” he added.
Sahara Khatun passed away at 11:25pm (local time) at Bumrungrad International Hospital in Bangkok.

Earlier on Monday, Advocate Sahara Khatun was flown to Thailand for better treatment.

The lawmaker of Dhaka-18 constituency was released from Dhaka’s United Hospital around 11:20 in the morning on the same day.

On June 2, she had been admitted to United Hospital in the capital’s Gulshan area with allergy, fever and cold-related complications. Later she was shifted to the ICU on June 19 as her condition deteriorated.

Advocate Sahara Khatun was elected as lawmaker three times from Dhaka-18 constituency.

সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরকে পিপিই ও মাস্ক সরবরাহ করল বসুন্ধরা

করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরকে পিপিই (পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) ও মাস্ক সরবরাহ করল দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। গতকাল বুধবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. ফসিউর রহমানের কাছে এক হাজার পিপিই ও ৫০ হাজার মাস্ক হস্তান্তর করেন। এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান উপস্থিত ছিলেন। অন্য পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. এনায়েত উল্ল্যাহ, সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের কনসালট্যান্ট ডেন্টাল সার্জন জেনারেল মেজর জেনারেল গোলাম মহীউদ্দীন চৌধুরী, কনসালট্যান্ট সার্জন জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান এবং কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ান জেনারেল মেজর জেনারেল মো. আজিজুল ইসলাম।

পিপিই ও মাস্ক হস্তান্তরের সময় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরো সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রসঙ্গত, বসুন্ধরা গ্রুপ করোনাভাইরাসের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারকে সহায়তার অংশ হিসেবে পাঁচ হাজার শয্যার হাসপাতাল তৈরিতে সহযোগিতা করতে যাচ্ছে।

গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এ বিষয়ে একটি লিখিত প্রস্তাব হস্তান্তর করেন। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর করোনা মোকাবেলার তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এ ছাড়া বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে রাজধানীর দুস্থ ও নিম্ন আয়ের অনেক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দেওয়া বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, রাজধানীর কুড়িলে বসুন্ধরার চারটি কনভেনশন সেন্টার ও একটি ট্রেড সেন্টারে হবে পাঁচ হাজার শয্যার হাসপাতাল। কনভেনশন সেন্টারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি ৩০ হাজার বর্গফুটের। বাকি তিনটি প্রতিটি ২০ হাজার বর্গফুটের। আর ট্রেড সেন্টারের আয়তন এক লাখ ৫০ হাজার বর্গফুট। বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারগুলো বিভিন্ন অবকাঠামোসমৃদ্ধ এবং রাজধানীর মধ্যবর্তী কুড়িল এলাকায় অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও হাসপাতালে রূপান্তরের অবস্থায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেই প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে এবং সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে হাসপাতালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সেনাবাহিনীর ১২ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের প্রতিনিধিদল এরই মধ্যে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

দুস্থদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে বসুন্ধরা

দুস্থদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। করোনাভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র ও দুস্থ মানুষদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে দেশের অন্যতম এ শিল্পগ্রুপ। গতকাল আরও ১৭০০ দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছে তারা। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরার (আইসিসিবি) থেকে এ ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। পরে ওই সব খাদ্যসামগ্রী ঢাকার চার ওয়ার্ডে দুস্থদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৭, ১৮, ৩৯ ও ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলদের কাছে আইসিসিবির গুলনকশা হল থেকে খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর লিয়াকত হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স) ইমরুল হাসান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (এস্টেট) মাহবুব উর রহমান তুহিন ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (ল্যান্ড) নাজমুল আলম ভূঁইয়া।

এ সময় এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মাহবুব উর রহমান তুহিন বলেন, ‘জাতির যে কোনো সংকটে বসুন্ধরা গ্রুপ জনগণের পাশে দাঁড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও করোনাভাইরাসের সংকট মোকাবিলায় বসুন্ধরা গ্রুপ অতীতের মতো গরিব ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ (গতকাল) আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ১৭০০ দুস্থ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য হস্তান্তর করলাম।’ তিনি বলেন, ‘এর আগে ২৯ মার্চ প্রথম পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ২০০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছি। পর্যায়ক্রমে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম দেশব্যাপী পরিচালনা করা হবে।’ প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি মিনিকেট চাল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি পিয়াজ, দুই কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম রসুন ও ৫০০ গ্রাম আদা দেওয়া হয়েছে।
ত্রাণসামগ্রী বিতরণের সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে ১৮ ওয়ার্ডের দিনমজুর, দুস্থ ও গরিব মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করায় আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। দেশের ক্রান্তিলগ্নে সব সময় আমরা বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে সহায়তা পেয়ে এসেছি। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।’

ত্রাণ গ্রহণের সময় ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইসহাক মিয়া বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তারা।’

৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম বাসেক বলেন, ‘দেশের সংকটময় মুহূর্তে বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় ত্রাণ বিতরণ করে থাকে। আমরা আশা করছি, যত দিন এ বিপদ থাকবে বসুন্ধরা গ্রুপ আমাদের সহায়তা করে যাবে।’ ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুদুর দেওয়ান বুলবুল বলেন, ‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে বসুন্ধরা গ্রুপ কাজ করে এটি শুধু তাদের স্লোগানে নয়, বাস্তবেও এটি তারা প্রমাণ করেছে।’

Bashundhara To Build 5,000-Bed Hospital For Covid-19 Treatment

Bashundhara Group to donate Tk 10 crore to PM’s relief fund

In response to the global deadly coronavirus pandemic, Banshundhara Group, country’s leading business conglomerate, will build a 5,000-bed hospital.

Bashundhara Group Managing Director Sayem Sobhan Anvir on Sunday proposed this to Prime Minister Sheikh Hasina after handing over a cheque for Taka 10 crore to the PM’s relief fund.

According to sources, in a written proposition, Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan said the hospital will be set up using four convention centres and one trade centre of Bashundhara Group.

Meanwhile, Bashundhara Group Chairman has taken measures to distribute food assistance to poor and destitute people of four wards of the Dhaka city corporation regularly through councillors. He is also planning for doing something bigger to face this pandemic.

Bashundhara Group To Donate Tk 10 Crore To PM’s Relief Fund

Bashundhara Group to donate Tk 10 crore to PM’s relief fund

Bashundhara Group, the country’s leading business conglomerate, has decided to extend its support to the government for ongoing battle on the deadly coronavirus pandemic.

The business leader, devoted to working for the welfare of the country and the people, has decided to donate Taka 10 crore to the Prime Minister’s relief fund to combat the spreading of Covid-19.

According to sources, Sayem Sobhan Anvir, Managing Director of Bashundhara Group, will hand over the donation check to Prime Minister Sheikh Hasina on Sunday afternoon.

Ahmed Akbar Sobhan Visits Purbachal CBD Project

Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan visited the site of the Central Business District (CBD) at Purbachal New Town on Monday to see the progress of the mega project.

The Purbachal Central Business District will be a modern commercial hub with all the necessary features of a smart city.

A consortium of Sikder Group’s subsidiary PowerPac Holdings and Kajima Corporation got the allotment of a total of 114 acres of land in Sector-19 of Purbachal New Township Project to build the new commercial hub through an open auction in 2018.

Sikder Group Chairman Zainul Haque Sikder, Managing Director Ron Haque Sikder, ZH Sikder Women’s Medical College and Hospital Chairman Monowara Sikder accompanied the Bashundhara Group Chairman during his visit to the site.

The CBD will have a total of 42 skyscrapers, including a 473-metre tall 111-storey iconic Legacy Tower, wherein the 96th floor will be dedicated and symbolise the journey of Prime Minister Sheikh Hasina. A 71-storey Liberty Tower will represent the Liberation War of 1971 and the 52-storey Language Tower will represent the Language Movement in 1952. The three towers have been named Bangabandhu Tri-Tower.

Officials informed that the proposed Bangabandhu Tri-Towers layout has been designed to enhance the symbolism behind 3Ls: Language, Liberation and the Legacy.

The top of the proposed Bangabandhu Tri-Tower design shows elements of Shaheed Minar aimed at raising the tower’s status. The Bangladesh flag motif was applied to the damper design on the top floor. Matching design was designed with the motif of the National Monument of Bangladesh Jatiyo Smriti Soudho.

The 473-meter tall Iconic Tower will be the World’s 5th tallest building. Of the other skyscrapers, each will have a height equivalent to a 40-storey building, sources said, adding that a large convention centre will be established to create a convenient location global business tourism.

The CBD will be constructed at a cost of Tk 960 billion. Of the total amount, foreign investment promise worth Tk 600 billion has been received.

Construction materials worth Tk 300 billion would be used in the first two years of the construction, which surely would make a positive impact on our overall economy.

Road planning has begun for the inner wireless, charging, and pollution-free electric buses within the CBD area. The magnetic field generated from the electrical wires embedded under the road will be retrieved by a collector installed at the bottom of the buses. This will be converted into “electric energy.”

The Underground Ring Walkway that will circulate the entire CBD is planned to be centred on the Bangabandhu Tri-Tower. This will create an active and live connection between the surrounding blocks, without having pedestrian traffic and congestion within the streets of the CBD.

The Purbachal Central Business District will accelerate the country’s urban economic growth as a new business hub and will serve as an icon of growth that will create a new lifestyle by providing the functions of a smart city and bring a new future for Bangladesh. This will be the stepping-stone of Prime Minister Sheikh Hasina’s journey of legacy towards turning the nation into a developed one by 2041.

Ahmed Akbar Sobhan Visits Bangabandhu Corner

Ahmed Akbar Sobhan visits Bangabandhu Corner

Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan visits Bangabandhu Corner on the sixth floor of the head office of Agrani Bank Ltd in the city on Sunday. Managing Director and CEO of Agrani Bank Ltd Mohammad Shams-Ul Islam and other top-ranking officials of Bashundhara Group and Agrani Bank were present on the occasion

Ahmed Akbar Sobhan Said Common People Have High Expectations

Ahmed Akbar Sobhan

Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan on Wednesday said common people have high expectations of Bangladesh Pratidin, as it has topped the list of the highest circulated dailies all over the country.

In the past, people were not bothered about what a newspaper wrote, but now they are well aware of it, he said.

The Bashundhara Group Chairman made the statements at a conference for district correspondents of Bangladesh Pratidin at the conference hall of East West Media Group Limited in the capital.

He said, “The daily which has the highest circulation is going to mark its 10 years of journey. Now it has ranked first in New York and London.

Readers want some changes in the news every day. Hundreds of newspapers have gone out of existence for not providing public-oriented news. In the competitive field of journalism, it is difficult to survive.”

The Bashundhara Group Chairman urged the district correspondents to consult with their editor before making any news report when it goes against a person.

“Sometimes, biased news reports are used to attack opponents. We want the truth to be revealed.”

“Bangladesh Pratidin has published many news items which some people did not like, but they were based on facts. A number of newspapers have ceased to exist, but many hundred-year-old newspapers like Times from London, Financial News and Washington Post from America are still running,” Ahmed Akbar Sobhan said.

At the event, the Bashundhara Group Chairman announced awards for the best reports of local correspondents of the daily.

Speaking on the occasion, Bangladesh Pratidin Editor Naem Nizam said the print media sector is going through hard times due to the dominance of news portals.

Concerted efforts by everyone in this field can help make the sector survive, he added.

Among others, Kaler Kantho Editor Imdadul Haq Milan and Bangladesh Pratidin Executive Editor Pir Habibur Rahman spoke on the occasion.

Ahmed Akbar Sobhan Inaugurated ‘Japan Street’

Ahmed Akbar Sobhan

A major road in Bashundhara Residential Area of Dhaka city has been named ‘Japan Street’ as a mark of respect for the country.

This is for the first time a road of Bangladesh has been named after its largest development partner Japan.

Japanese Ambassador to Bangladesh Naoki Ito and Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan jointly inaugurated ‘Japan Street’ on Block-I in the residential area amid applause from residents and dignitaries on Tuesday.
Bashundhara Group Co-chairman Sadat Sobhan Tanvir was also present on the occasion.

“As far as I know, there was no road named after Japan in Bangladesh. This is for the first time a street has been named after Japan. I am very happy and feel honoured with this wonderful gesture,” said the Japanese envoy while inaugurating the road.

Speaking on the occasion, Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan said Japan is the greatest friend of Bangladesh for the last 50 years. “We hope Japan will remain our greatest friend forever.”

Talking about the prospect of the real estate sector, he said, “We are very happy because our Prime Minister Sheikh Hasina has given loan facilities to more than 1.4 million government officers at 5 percent interest rate and repayment in 20 years. This is an ample opportunity to invest in the real estate sector.”

Ahmed Akbar Sobhan lauded the government for taking an appropriate policy to grow investment and business in the country.

He said Bashundhara is the country’s only residential area where nobody will find any indiscipline, irregularities and any kind of disturbance.

“But, a section of people are not happy with this discipline as none is allowed here to create any nuisance. We are serious about safety and security of the residents living in Bashundhara,” he said.

The Bashundhara Group chairman requested the Japanese ambassador to take an initiative to invest in the real estate sector, particularly targeting the 1.4 million government officials, who are getting loan at 5 percent interest rate.

He suggested that the Japanese ambassador pursue the JICA to invest in the real estate sector, which will be helpful for sustainable growth in Bangladesh.

He said the JICA is investing in many infrastructure projects in Bangladesh. “Japan is a great partner of Bangladesh’s socio-economic development.”

The Bashundhara Group chairman also said he does not usually participate in any inaugural session, but when he heard about Japan he expresses his interest.

He invited Japanese investors to come to Bangladesh and make investment in Bashundhara and his company will extend all-out support to make their initiatives a complete success. The middle-income group of Bangladesh is very much interested in apartment life and there is a big demand for apartment, he mentioned.

Ahmed Akbar Sobhan also invited the Japanese Ambassador to come to Bashundhara every morning and walk along the Japan Street. ‘It’s your street,” he told Ambassador Naoki Ito.

In response to the Bashundhara Group chairman’s remarks, the Japanese envoy assured him that he would pursue the Japanese investors to invest here for the benefits of both countries.

The programme was addressed, among others, by Chairman of James Group and Managing Director of JCX Development Ltd Iqbal Hossain Chowdhury, former FBCCI Presidents Abdul Awal Minto and Abdul Matlub Ahmad, former Deputy Governor of Bangladesh Bank Murshid Kuli Khan and woman entrepreneur Tania Haq.