Bashundhara Group stands by the poor

Bashundhara Group, country’s leading business conglomerate, has continued to distribute food items among underprivileged people who have become workless following spread of coronavirus.

As part of corporate social responsibility, officials and volunteers of the group went door-to-door and distributed combo packets of food to 1,700 marginal families at different places in the capital on Tuesday. Collecting the food packets from Hall-1 of International Convention City Bashundhara (ICCB), officials and volunteers visited various targeted areas and distributed those among the vulnerable people.

A combo food pack contains 10 kilogrammes of minikate rice, two kilogrammes of lentil, half kilogramme of ginger, one litre of fresh soya bean oil, two kilogrammes of potato, two kilogrammes of onion and half kilogramme of garlic.
Among others, Bashundhara Group Senior Executive Detectors Imrul Hasan and Liakat Hossain, Executive Director Nazmul Alam Bhuiyan and ICCB Chief Executive MM Jasim Uddin were present during the distribution of food.

Officials went door-to-door and distributed the food items. They said the programme will be extended to other areas and will continue till the situation becomes normal.

Earlier on Sunday, Bashundhara Group distributed combo packets, includes daily essentials, to two thousand families in three areas of Beraid, Doomni and Solmaid in the capital.

চীনের চেয়েও বড় অস্থায়ী হাসপাতাল করবে বসুন্ধরা

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ রোগে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজনেরা চিকিৎসা পাচ্ছেন হাতে গোনা কয়েকটি হাসপাতালে। এমন অবস্থায় রোগটি মহামারি আকারে ছড়ালে কী হবে তা অকল্পনীয়। এমন প্রেক্ষাপটে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এগিয়ে এসেছে দুই শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ ও ফর্টিস গ্রুপ। প্রতিষ্ঠান দুটি করোনা রোগীদের চিকিৎসায় অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের জন্য বিনা মূল্যে অবকাঠামো সুবিধা দিতে চাইছে, সরকারের পক্ষ থেকে শুধু চিকিৎসা সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা করতে হবে।

দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বসুন্ধরা অবকাঠামো সুবিধা দেওয়ার জন্য তাদের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিকে চিহ্নিত করেছে। প্রায় ৬৪ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠা এই কনভেনশন সিটিকে অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করতে পারলে এখানে একসঙ্গে পাঁচ হাজার রোগীর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। অন্যদিকে ফর্টিস অবকাঠামো আপাতত ১০০ শয্যার রয়েছে, তবে সরকার চাইলে তারা এটি আরও কয়েকগুণ বাড়াতে পারবে।

বসুন্ধরার কনভেনশন সিটি ৩০০ ফুট সড়কের পাশে অবস্থিত। এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে, এখানে সুবিশাল চারটি হল ও একটি এক্সপো সেন্টার আছে। আছে রান্না, পানি, বিদ্যুৎ, জেনারেটরসহ অন্যান্য সুবিধাও। হল ও এক্সপো সেন্টারের মোট আয়তন প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার বর্গফুট। এই পুরো জায়গাটি করোনা চিকিৎসায় অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ছেড়ে দিতে চায় দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তাদের এই স্থাপনা হাসপাতাল হিসেবে রূপান্তরের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এটি অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করতে পারলে সরকারের বিপুল অর্থের সাশ্রয় হবে।

বসুন্ধরার আগ্রহের পর গত ৩০ ও ৩১ মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল কোরের সদস্যরা এই এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

সায়েম সোবহান বলেন, ‘আমাদের দিক থেকে আমরা অবকাঠামো নিয়ে প্রস্তুত আছি। মেডিকেল যন্ত্রপাতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সরবরাহ করা হলে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতাল চালু করা সম্ভব।’

এদিকে ফর্টিস গ্রুপের পক্ষ থেকে যে অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে সেটি ঢাকার বেড়াঈদে। গত বুধবার সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, করোনা রোগের চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী এই হাসপাতালের স্থাপনার মধ্যে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত তিন তলা একটি ভবন। কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই ভবনের প্রতিটি কক্ষেই আছে পৃথক শৌচাগার, বিছানা ও প্রয়োজনীয় আসবাব। এ ছাড়া ১৪টি তাঁবু টানিয়ে সেখানে চিকিৎসার জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাঁবুগুলোতেও থাকবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও মেডিকেল বেড। পাশাপাশি বড় পরিসরের একটি মাঠও রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেখানেও তাঁবু টানিয়ে দিতে চায় ফর্টিস গ্রুপ।

জানতে চাইলে ফর্টিস গ্রুপের উপ-মহাব্যবস্থাপক মঈনুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁবুগুলো ২০-৩০ বর্গফুট আয়তনের। ভবন ও তাঁবু মিলে আপাতত ১০০ জনের জন্য ‌’আইসোলেসন সেন্টার’ প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই অবকাঠামো ব্যবহারের জন্য সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানান মঈনুল হোসেন। তিনি বলেন, কোনো হাসপাতাল চাইলে করোনা চিকিৎসায় এটি তাদের এক্সটেনশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।

বসুন্ধরা ও ফর্টিস গ্রুপের বিনা মূল্যে দেওয়া অবকাঠামো দিতে চাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে গত বৃহস্পতিবার যোগাযোগ করা হয়েছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে বিষয়টি জানানো হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে কি-না, তিনি তা জানেন না।

শিল্প প্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপের পক্ষ থেকেও এমন একটি মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি তেজগাঁও শিল্প এলাকায় তাদের নিজস্ব জমিতে ও নিজ খরচে ৩০০ শয্যার একটি হাসপাতাল তৈরি করতে চেয়েছিল। যেখানে বিনা মূল্যে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করা যেত। চিকিৎসা সরঞ্জামাদিরও ব্যবস্থা করতে চেয়েছিল এই প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন তাতে বাধা দেয় ও হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জায়গায় ভাঙচুর করে। এতে উদ্যোগটি থমকে যায়।

গত বুধবার আকিজ গ্রুপের নির্ধারিত ওই জায়গায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে হাসপাতাল নির্মাণের কাজ হচ্ছে না। দায়িত্বরত নিরাপত্তা রক্ষীর কাছে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। হাসপাতাল নির্মাণের এই পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

যোগাযোগ করা হলে জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, অজ্ঞাত কারণে হাসপাতালটি আর হচ্ছে না। তা ছাড়া বসুন্ধরা ঢাকায় ৫ হাজার শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল করতে চাইছে। এমন অবস্থায় করানো চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আরও একটি হাসপাতাল নির্মাণের দরকার নেই।

গৃহবন্দি শ্রমজীবী মানুষের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে গৃহবন্দি শ্রমজীবী নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার করার পর থেকে বিপাকে পড়ে নিম্ন আয়ের মানুষ। দুর্ভোগ লাঘবে সরকারের পাশাপাশি এই কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ। গ্রুপের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের নির্দেশনায় কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের পরিবেশক ও বিক্রয় কর্মকর্তারা গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে দেশব্যাপী প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ও স্যানিটাইজার বিতরণ করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ও গতকাল নীলফামারীর সৈয়দপুরের বাবুপাড়ায় কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের পরিবেশক অব্দুল করিম শাহীন ও সুব্রত কুমার রুদ্ধ আড়াই শতাধিক মানুষের মাঝে স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন ত্রাণ বিতরণ করেন। এর আগে কর্মহীন হয়ে পড়া রাজমিস্ত্রি ও দিনমজুরদের মাঝে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও দিনাজপুরে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

Bashundhara Group always stands by govt on national issues

Bashundhara Group, the country’s leading business conglomerate, always stands by the government on all national issues.

Bashundhara Group Managing Director Sayem Sobhan Anvir told this to reporters after the company proposed to Prime Minister Sheikh Hasina to build a 5,000-bed hospital for treating coronavirus patients.

“Bashundhara Group has extended its helping hand to the government in tackling the national crisis. The company is always beside the government on all national issues of the country and its people,” he said.
The people of Bangladesh like elsewhere of the globe are facing tough times and they never experienced such a terrible situation like this after the liberation war in 1971, Sayem Sobhan Anvir added.

Bashundhara Group has proposed to Prime Minister Sheikh Hasina to use International Convention City Bashundhara (ICCB) as a temporary hospital.

“The country needs such timely response from us. We want to offer the ICCB as a gift to the Prime Minister to be used for saving many lives,” the Bashundhara Group Managing Director said.

Anvir said ICCB will be turned into a 5,000-bed hospital, which will bigger than the hospital constructed by the Chinese government in Wuhan province to treat COVID-19 patients.

“ICCB is a perfect place for such noble venture having all facilities including water, power, fire fighting and central air conditioning systems,” he said, adding that the facility can accommodate ICUs also.

As it is difficult to go for new construction in the current situation, the Convention City can be used as a temporary hospital, he opined.
“Tackling any disaster largely depends on good communication systems. ICCB has airlifting facility too. A critical patient from any part of the country can be carried to this hospital by helicopter.”

Speaking about other resources needed for the hospital, he said doctors, nurses and beds are needed for the hospital.

“All we need are doctor, bed and units. The government is already in possession of these resources which should be just shifted to ICCB.”

The high officials of the health ministry and armed forces already visited the proposed hospital site and expressed satisfaction with the facilities.

If required, this facility can be turned into a hospital in seven to ten days, the Bashundhara Group Managing Director assured.

Bashundhara Group made the proposal to the Prime Minister in writing. Managing Director Sayem Sobhan made the offer to the premier during a video conference as well.

The Group also donated Tk 10 crore to the Prime Minister’s Relief Fund.

Prime Minister Sheikh Hasina also made an instant response by accepting the proposal.

About the implementation of the proposal, Anvir said Bashundhara Group expects the process of establishing the proposed hospital to be expedited.

“We are glad to have the proposal accepted by the Prime Minister. Now we underscore the need for expediting the necessary work.”

Bashundhara Group provides PPE, masks for DGMS

Bashundhara Group (BG) has provided doctors and staff of the Directorate General of Medical Service (DGMS) with Personal Protective Equipment (PPE) and masks to tackle the coronavirus situation.

The physicians, nurses and other relevant employees of the DGMS need the PPE for discharging professional duties amid the coronavirus endemic.

Bashundhara Group Managing Director Sayem Sobhan Anvir handed 1,000 PPE and 50,000 masks to Major General Md Fashiur Rahman, Director General of the Directorate General of Medical Service, at Dhaka Cantonment on Wednesday.
Bashundhara Group Vice-Chairman Safwan Sobhan Tasvir and its Adviser Maj Gen (retd) Mahbub Haider Khan were also present.

Adjutant General of Bangladesh Army Major General Enayet Ullah, Consultant Dental Surgeon General of DGMS Major General Dr. Golam Mohiuddin Chowdhory, Consultant Surgeon General Major General Dr Md Mahbubur Rahman and Consultant Physician General Major General Dr Md Azizul Islam were attended the programme.

Speaking on the occasion, Bashundhara Group Managing Director Sayem Sobhan Anvir said the country’s largest business conglomerate will continue its support for fighting the coronavirus endemic and protecting the national interests.

As part of corporate social responsibility, Bashundhara Group is going to establish a 5,000-bed hospital for treatment of corona patients.

The group has also donated Tk 10 crore to the Prime Minister’s Relief Fund.

Necessary work to establish the hospital is underway as Prime Minister Sheikh Hasina accepted the proposal of Bashundhara Group.
The 12th Engineer Battalion of Bangladesh Army and officials of the health ministry have already visited the site of the hospital and expressed satisfaction with the facilities.

রূপগঞ্জে ৫০ হাজার পরিবারের দায়িত্ব নিল বসুন্ধরা

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সাতটি ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভার দিনমজুর, হতদরিদ্র, দুস্থসহ ৫০ হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিল বসুন্ধরা গ্রুপ। এরই অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক প্রায় ১০ হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. শাহজাহান ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মমতাজ বেগম, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবুল বাশার টুকু, ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন, মোয়াজ্জেম হোসেন, আব্দুল মতিন, মাসুম, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল, নবী হোসেন, আলেক, ছাত্রলীগ নেতা মাসুম চৌধুরী অপু প্রমুখ।

এ সময় আলহাজ রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসে। তাই বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেবের নির্দেশক্রমে রূপগঞ্জের ৫০ হাজার দিনমজুর, দুস্থ পরিবারে প্রায় দুই লাখ লোকের খাদ্যসামগ্রী আমরা বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ (বুধবার) কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০ হাজার লোকের খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। এসব খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আটা, আলু সাবান ও মাস্ক রয়েছে। রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক আরো বলেন, ‘রংধনু গ্রুপ এরই মধ্যে ২৫ হাজার লোকের খাদ্যসামগ্রী রূপগঞ্জে বিতরণ করছে।’

সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরকে পিপিই ও মাস্ক সরবরাহ করল বসুন্ধরা

করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরকে পিপিই (পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) ও মাস্ক সরবরাহ করল দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। গতকাল বুধবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. ফসিউর রহমানের কাছে এক হাজার পিপিই ও ৫০ হাজার মাস্ক হস্তান্তর করেন। এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান উপস্থিত ছিলেন। অন্য পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. এনায়েত উল্ল্যাহ, সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের কনসালট্যান্ট ডেন্টাল সার্জন জেনারেল মেজর জেনারেল গোলাম মহীউদ্দীন চৌধুরী, কনসালট্যান্ট সার্জন জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান এবং কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ান জেনারেল মেজর জেনারেল মো. আজিজুল ইসলাম।

পিপিই ও মাস্ক হস্তান্তরের সময় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরো সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রসঙ্গত, বসুন্ধরা গ্রুপ করোনাভাইরাসের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারকে সহায়তার অংশ হিসেবে পাঁচ হাজার শয্যার হাসপাতাল তৈরিতে সহযোগিতা করতে যাচ্ছে।

গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এ বিষয়ে একটি লিখিত প্রস্তাব হস্তান্তর করেন। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর করোনা মোকাবেলার তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এ ছাড়া বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে রাজধানীর দুস্থ ও নিম্ন আয়ের অনেক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দেওয়া বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, রাজধানীর কুড়িলে বসুন্ধরার চারটি কনভেনশন সেন্টার ও একটি ট্রেড সেন্টারে হবে পাঁচ হাজার শয্যার হাসপাতাল। কনভেনশন সেন্টারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি ৩০ হাজার বর্গফুটের। বাকি তিনটি প্রতিটি ২০ হাজার বর্গফুটের। আর ট্রেড সেন্টারের আয়তন এক লাখ ৫০ হাজার বর্গফুট। বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারগুলো বিভিন্ন অবকাঠামোসমৃদ্ধ এবং রাজধানীর মধ্যবর্তী কুড়িল এলাকায় অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও হাসপাতালে রূপান্তরের অবস্থায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেই প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে এবং সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে হাসপাতালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সেনাবাহিনীর ১২ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের প্রতিনিধিদল এরই মধ্যে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের পরিবারের জন্য দোয়া করলেন শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ: করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্তদের চিকিৎসায় রাজধানীর কুড়িলে বসুন্ধরার চারটি কনভেনশন সেন্টার ও একটি ট্রেড সেন্টারকে পাঁচ হাজার শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দেশ, জাতির কল্যাণে পাশে দাঁড়ানোয় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করলেন শামীম ওসমান।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের উদ্যোগে শুকরিয়া আদায়ের এই দোয়া করা হয়।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নানান পদক্ষেপের প্রশংসা করে তার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন শামীম ওসমান।

পরে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও এমডি সায়েম সোবহানসহ তাদের পরিবারের সবার দীর্ঘায়ু কামনা করে নারায়ণগঞ্জের এতিমখানা ও মসজিদে প্রার্থনা করা হয়। এই দোয়ায় ১০-১২ বছরের এতিম শিশুরা হাত তুলে চোখের পানি ফেলে বসুন্ধরা গ্রুপের কর্ণধার ও তার পরিবারের সদস্যদের যেন আল্লাহ আরো বেশি জনকল্যাণে কাজ করার তৌফিক দেন সে মিনতি করেন।

ফতুল্লার মুসলিমনগর এতিমখানা, অক্টোফিস আবু হানিফা এতিমখানা, অক্টোফিস বাইতুস সালাম মসজিদ ও ইসদাইর শাহী জামে মসজিদে নামাজের পর দোয়া করা হয়।

গত ২৯ মার্চ বিকেলে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা অনুদান দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। সঙ্গে অনুমতি চায় ৫ হাজার শয্যার হাসপাতাল করার। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমতি দেন।

এ বিষয়ে শামীম ওসমান বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ জন্মলগ্ন থেকেই দেশ জাতির কল্যাণে কাজ করে আসছে। তারা যে কোনো পণ্য তৈরি করলে তা আগে জাতির কী উপকারে আসবে তা ভেবে দেখেন। করোনা পরিস্থিতিতে জাতির কল্যাণে সে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়ে রাখলো এই বৃহত্তর শিল্প গোষ্ঠীটি। যেখানে হাসপাতালগুলো করা হচ্ছে সেখান থেকে ইচ্ছে করলেই বসুন্ধরা শিল্প গোষ্ঠী কোটি কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করতে পারে। কিন্তু গোষ্ঠীটি মুনাফার দিকে তাকায়নি। এটাই হচ্ছে আল্লাহকে খুশি করতে তাদের সহি নিয়ত। আল্লাহ ইনশাল্লাহ তাদের বরকতে পরিপূর্ণ করবেন।

Bashundhara Group’s hospital for corona patients opens shortly

The Bashundhara Group’s proposed 5,000-bed Covid-19 hospital will be launched soon as the health and family welfare ministry has started taking preparations to provide necessary facilities.

“Whenever the government will inform us of readying the hospital, we will able to provide all types of necessary support within only two to three days,” Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan told the daily sun.

As part of the preparations, a team of Health Engineering Department (HED) led by its Chief Engineer Brigadier General Mohammad Osman Sarwar and Dr Md Aminul Hasan, Director (Hospital) of the Directorate General of Health Services (DGHS), visited the International Convention City Bashundhara (ICCB), the proposed site for the largest hospital for coronavirus patients. The 11-member team of the HED also includes Additional Chief Engineer (Headquarters) Md Abdul Hamid, Deputy Chief Engineer (architect) Anisur Rahman, Superintending Engineer (Planning and Administration) Md. Anower Hossain, Superintending Engineer Md. Abdul Hamid (Electrical) and Executive Engineer (Dhaka city) Masudur Rahman.
They visited all the four convention centers and a trade centre with 150,000 square feet of the International Convention City Bashundhara (ICCB) and later held a joint meeting at the operational office of the ICCB to discuss their plans. M. M. Jasim Uddin, Chief Operating Officer of the ICCB, and its other officials were also present.

Talking to the daily sun, Aminul Hasan said, “We hope we can start such a big hospital for Covid-19 patients within a very short time. And necessary infrastructure is available here (ICCB) for setting up such a big hospital during this crisis situation of the country.”

“If we can start operation of the hospital, we will be able to accommodate a large number of Covid-19 patients to provide them with necessary treatment. And definitely it will very much helpful for the countrymen,” he added.

Aminul also said they have planned to set up ICU (Intensive care Unit) support center and general treatment center at the hospital.

Asked about setting up the Covid-19 hospital, Mohammad Osman Sarwar said, “It’s a great opportunity that the hospital can be set up within a very short time. Initially, it is possible to start the hospital with more than 4000-bed facilities in a very short time.”

He further said setting up the largest hospital will be an effective step to provide treatment for Covid-19 patients in the country.
Earlier on Monday, two teams of the DGHS and Bangladesh Army on Monday visited the International Convention City Bashundhara (ICCB).

The visit came a day after Prime Minister Sheikh Hasina accepted Bashundhara Group’s proposal to set up a 5,000-bed hospital for corona patients at the ICCB.

Earlier, Bashundhara Group’s proposal to set up the country’s largest 5000-bed hospital for corona patients was accepted on Sunday by Prime Minister Sheikh Hasina.

The premier gave the go-ahead after Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan sent a written proposal to the Prime Minister’s Office (PMO), expressing the desire to set up the hospital amid the spread of the deadly coronavirus.

Managing Director of Bashundhara Group Sayem Sobhan Anvir formally handed over the proposal to Prime Minister’s Principal Secretary Dr Ahmed Kaikaus at the PMO to get the approval from the premier.

Bashundhara Group proposed that a trade centre with 1,50,000 square feet and four convention centres with 90,000 square feet can be turned into hospitals as the country has been fighting to contain the spread of coronavirus.

The premier welcomed the offer and thanked Bashundhara Group for its humanitarian gesture.

The country’s leading business conglomerate also donated Tk 100 million to the PM’s relief fund to help the government face the upcoming challenges.

The Covid-19, which was first reported in China’s Wuhan, has been spread to nearly 200 countries across the globe.

After locking down Wuhan, the Chinese government set up a 1000-bed hospital to treat patients with coronavirus.

Considering the upcoming challenges, the Bashundhara Group proposed the government that it would build the largest hospital in South Asia to pave ways for treating the patients with the deadly bug.

“We believe that the move will play a significant role and help you (Prime Minister) in facing the future challenge of providing treatment for the patients with coronavirus,” Ahmed Akbar Sobhan, chairman of the Bashundhara Group, wrote in his proposal.

দুস্থদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে বসুন্ধরা

দুস্থদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। করোনাভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র ও দুস্থ মানুষদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে দেশের অন্যতম এ শিল্পগ্রুপ। গতকাল আরও ১৭০০ দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছে তারা। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরার (আইসিসিবি) থেকে এ ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। পরে ওই সব খাদ্যসামগ্রী ঢাকার চার ওয়ার্ডে দুস্থদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৭, ১৮, ৩৯ ও ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলদের কাছে আইসিসিবির গুলনকশা হল থেকে খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর লিয়াকত হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স) ইমরুল হাসান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (এস্টেট) মাহবুব উর রহমান তুহিন ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (ল্যান্ড) নাজমুল আলম ভূঁইয়া।

এ সময় এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মাহবুব উর রহমান তুহিন বলেন, ‘জাতির যে কোনো সংকটে বসুন্ধরা গ্রুপ জনগণের পাশে দাঁড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও করোনাভাইরাসের সংকট মোকাবিলায় বসুন্ধরা গ্রুপ অতীতের মতো গরিব ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ (গতকাল) আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ১৭০০ দুস্থ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য হস্তান্তর করলাম।’ তিনি বলেন, ‘এর আগে ২৯ মার্চ প্রথম পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ২০০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছি। পর্যায়ক্রমে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম দেশব্যাপী পরিচালনা করা হবে।’ প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি মিনিকেট চাল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি পিয়াজ, দুই কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম রসুন ও ৫০০ গ্রাম আদা দেওয়া হয়েছে।
ত্রাণসামগ্রী বিতরণের সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে ১৮ ওয়ার্ডের দিনমজুর, দুস্থ ও গরিব মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করায় আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। দেশের ক্রান্তিলগ্নে সব সময় আমরা বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে সহায়তা পেয়ে এসেছি। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।’

ত্রাণ গ্রহণের সময় ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইসহাক মিয়া বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তারা।’

৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম বাসেক বলেন, ‘দেশের সংকটময় মুহূর্তে বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় ত্রাণ বিতরণ করে থাকে। আমরা আশা করছি, যত দিন এ বিপদ থাকবে বসুন্ধরা গ্রুপ আমাদের সহায়তা করে যাবে।’ ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুদুর দেওয়ান বুলবুল বলেন, ‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে বসুন্ধরা গ্রুপ কাজ করে এটি শুধু তাদের স্লোগানে নয়, বাস্তবেও এটি তারা প্রমাণ করেছে।’